West Bengal Politics Questions & Answers PDF: Governor, Chief Minister and Legislative Assembly

User Avatar

By sayantan

Published on:

West Bengal Politics Questions & Answers PDF: Governor, Chief Minister and Legislative Assembly

সুপ্রিয় বন্ধুরা,

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি জানাটা শুধু পরীক্ষার জন্য নয় — এটা আমাদের রাজ্যকে বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। রাজ্যের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাঠামো মূলত তিনটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়ায়: গভর্নর, মুখ্যমন্ত্রী ও বিধানসভা। West Bengal Politics Questions & Answers PDF গভর্নরকে বলা হয় রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান; তিনি সংবিধান অনুযায়ী বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক অনুষঙ্গ পালন করে থাকেন। মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সরকারের কার্যনির্বাহী প্রধান; তিনি দফতরগুলোর কাজ পরিচালনা করে, নীতি প্রণয়ন করে ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেয়। বিধানসভা হচ্ছে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত আইনপ্রণয়নকারী সংস্থা, যা নীতি নির্ধারণ ও আইন প্রণয়নে প্রধান ভূমিকা রাখে। এই তিনটি স্তম্ভ একসঙ্গে রাজ্যের সুশাসন, নীতি-নির্ধারণ এবং আইন-প্রয়োগ নিশ্চিত করে।

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি থেকে যে প্রশ্নগুলো বেশি আসে, সেগুলো সাধারণত তিনটি ভাগে পড়ে — বর্তমান তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন (যেমন বর্তমান গভর্নর, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী), ঐতিহাসিক প্রশ্ন (যেমন প্রথম মুখ্যমন্ত্রী, গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পরিবর্তন) এবং গঠনমূলক/সংবিধান সম্পর্কিত প্রশ্ন (যেমন বিধানসভার আসন সংখ্যা, রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতার সীমা)। এগুলো কেবল তথ্যই নয়; ব্যাখ্যামূলক দক্ষতা বাড়াতে এগুলো বিশ্লেষণ করা গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, শুধুমাত্র “কতটি আসন আছে” জানতে হবে না—বুঝতে হবে কেন আসনসংখ্যা নির্দিষ্টভাবে স্থির আছে এবং তা রাজ্যের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বে কী প্রভাব ফেলে।

গভর্নর ও মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রধান বিষয় মাথায় রাখা দরকার। গভর্নরের কাজ হলো সরকারের কার্যক্রম আইনসঙ্গত কিনা তদারকি, বিধানসভা অধিবেশন আহ্বান করা, বিল অনুমোদন বা ফেরত পাঠানো এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় করা। মুখ্যমন্ত্রীর কাজ হলো নীতিনির্ধারণ, দফতরগুলোর দৈনন্দিন কার্য পরিচালনা, মন্ত্রিসভার নেতৃত্ব দেওয়া এবং বিধানসভায় সরকারের প্রতিনিধিত্ব করা। বিধানসভা আইন প্রণয়ন করে, বাজেট অনুমোদন করে এবং সরকারের ওপর মতামত রাখে—সুতরাং তিন স্তম্ভ পর্যায়ক্রমে একে অপরের কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।

রিয়েল-লাইফ পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কিছু কার্যকর কৌশল শেয়ার করছি। প্রথমত, তালিকা ও টাইমলাইন তৈরি করুন — গভর্নর, মুখ্যমন্ত্রীর নাম ও শপথ গ্রহনের তারিখ, বিধানসভার আসন সংখ্যা ইত্যাদি সংক্ষিপ্ত টেবিলে রাখলে দ্রুত রিভিশন হয়। দ্বিতীয়ত, মেমোনিক্স ব্যবহার করুন — যেকোনো তালিকাকে সহজভাবে মনে রাখার জন্য শব্দ বা বাক্য বানিয়ে নিন। তৃতীয়ত, প্র্যাকটিস সেট ও মক টেস্ট নিয়মিত দিন; MCQ এর ধরণ ও সময়চিন্তা বোঝা খুবই জরুরি। চতুর্থত, সাম্প্রতিক সংবাদপত্র ও সরকারি ওয়েবসাইট দেখুন — কারণ রাজনীতিতে ক্ষমতায় আসা এবং বদল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

ইতিহাস ও প্রেক্ষিত সম্পর্কে সামান্য ধারণা রাখা পরীক্ষায় সাহায্য করে। রাজ্যটির রাজনৈতিক বিকাশ, গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন, উন্নয়ন নীতি ও প্রশাসনিক সংস্কারসমূহ সম্পর্কে সংক্ষেপে জানলে প্রশ্নের নকশা বুঝতে সহজ হয়। অনেকে শুধু নাম-তারিখ মনে রাখেন; কিন্তু যদি ঐতিহাসিক পটভূমি জানা থাকে তাহলে অস্পষ্ট প্রশ্নও বিশ্লেষণ করে উত্তর করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো সাংবিধানিক পরিবর্তন কেন প্রয়োগ করা হলো বা কারা প্রধান ভূমিকা রেখেছিল—এই ধরনের বিশ্লেষণ গঠনমূলক উত্তর তৈরিতে সহায়ক।

পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সময় ভাগ করে নিন: প্রতিদিন সংক্ষিপ্ত রিভিশনের জন্য নির্দিষ্ট সময় রাখুন, সপ্তাহের শেষে মক টেস্ট দিন এবং প্রতিটি ভুল উত্তর বিশ্লেষণ করে নিন। ফ্ল্যাশকার্ড তৈরি করা খুব কার্যকর; প্রশ্ন-উত্তর লিখে সঙ্গে নিয়ে পড়া যায়। গ্রুপ স্টাডি করলে বিভিন্ন দিক থেকে প্রশ্ন আসতে পারে এবং আপনারা আলোচনা করে দুর্বল বিষয়গুলো চিহ্নিত করতে পারবেন। স্মরণ রাখতে কিছুমান সাধারণ প্রশ্নের তালিকা তৈরি করুন — যেমন গভর্নরের ক্ষমতা, মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব, বিধানসভার রচনা ও আসন সংখ্যা—এগুলো প্রায়ই আসে।

আরও কিছু প্রয়োগিক টিপস ও রিসোর্স সম্পর্কিত পরামর্শ: প্রতিদিন নিজের নোটগুলো সংক্ষিপ্ত করুন — এক পৃষ্ঠায় একটি বিষয় ব্যাখ্যা করলে রিভিশন দ্রুত হয়। মানচিত্র ও চিত্র ব্যবহার করে প্রশাসনিক বদল, জেলা পর্যায়ের প্রশাসনিক কেন্দ্র ও বিধানসভা আসন সম্পর্কিত ধারণা দৃঢ় করা যায়। সময়ভিত্তিক রিভিশন প্ল্যান বানান — প্রথম সপ্তাহে ধারণা, দ্বিতীয় সপ্তাহে ডিটেইল, তৃতীয় সপ্তাহে মক টেস্ট। প্রশ্ন বিশ্লেষণের সময় প্রতিটি প্রশ্নকে তিনভাগে ভাগ করুন: (ক) তথ্যভিত্তিক অংশ, (খ) বিশ্লেষণ অংশ, (গ) সংক্ষিপ্ত উপসংহার/নির্ণায়ক অংশ। এই পদ্ধতি প্রশ্ন বোঝায় সহায়তা করে এবং উত্তর দিতে দ্রুততা আনে।

সাম্প্রতিক ঘটনার সাথে নিজেকে আপডেট রাখতে প্রতিদিন একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের রাজনৈতিক সংক্ষিপ্ত সংবাদ পড়ুন; পরীক্ষায় সাম্প্রতিক ঘটনাবলী থেকে প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন আসে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি, সংসদীয় নথি ও পরীক্ষার পূর্ববর্তী প্রশ্নপত্র পর্যায়ক্রমে দেখে নিলে প্রশ্নের প্রকারভেদ বোঝা সহজ হয়। মনে রাখবেন — শুধু রট না করে বিশ্লেষণ ও সংযোজন করলে জ্ঞানের পরিধি বাড়ে এবং বিষয়বস্তুও আরও মজবুত হয়।

শেষ কথা — পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি শেখা কেবল পরীক্ষার জন্য নয়; এটি আমাদের রাজ্যের প্রশাসন, ইতিহাস ও সামাজিক পরিবর্তন বোঝার দরজা খুলে দেয়। তাই ধৈর্য ধরে নিয়মিত পড়াশোনা করুন, প্র্যাকটিস করুন এবং বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করতে ভুলবেন না। শুভ প্রত্যাশা রইল—তোমাদের সফল অধ্যায়ন ও পরীক্ষায় সাফল্য কামনা করি।

1.পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্যপাল কে?

উঃ সি. ভি. আনন্দ বোস

2.পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কে?

উঃ মমতা ব্যানার্জি

3.পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মোট আসন কত?

উঃ ২৯৪টি

4.বিধানসভায় সহজ সংখ্যাগরিষ্ঠতা কত?

উঃ ১৪৮

5.শেষ বিধানসভা নির্বাচন কবে হয়? 

উঃ ২০২১ সালে

6. মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন কে? 

উঃ রাজ্যপাল

7.রাজ্যপালকে নিয়োগ করেন কে? 

উঃ রাষ্ট্রপতি

8.রাজ্যপালের মেয়াদ কত বছর? 

উঃ ৫ বছর

9.বিধানসভা ডাকার ক্ষমতা কার? 

উঃ রাজ্যপালের

10.বিধানসভার বর্তমান স্পিকার কে? 

উঃ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়

11.বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার কে? 

উঃ অশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়

12.বিরোধীপক্ষের নেতা কে? 

উঃ শুভেন্দু অধিকারী

13.বিধানসভার কোরাম কত? 

উঃ মোট সদস্যের এক-দশমাংশ

14. বিধানসভার মেয়াদ কত বছর? 

উঃ ৫ বছর

15.Money Bill-এর সংজ্ঞা কোন আর্টিকেলে আছে? 

উঃ আর্টিকেল ১১০

16.রাজ্য Money Bill কে সার্টিফাই করেন? 

উঃ স্পিকার

17.রাজ্যপাল কোন আর্টিকেলে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারেন? 

উঃ আর্টিকেল ১৬১

18.রাজ্যপাল কোন আর্টিকেলে বিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাতে পারেন? 

উঃ আর্টিকেল ২০০

19.মন্ত্রিসভার সর্বোচ্চ আকার কত হতে পারে? 

উঃ মোট আসনের ১৫% (৪৪ জন)

20.আস্থাভোটে সরকার হেরে গেলে কী হয়? 

উঃ সরকারকে পদত্যাগ করতে হয়

21.রাজ্য সরকারের সচিবালয় কোথায়? 

উঃ নবান্ন, হাওড়া

22.বিধানসভা ভবন কোথায়? 

উঃ কলকাতার বি. বি. ডি. বাগে

23.পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা একক নাকি দ্বিকক্ষ? 

উঃ একককক্ষ

24.পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন? 

উঃ প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ

25.দীর্ঘতম সময়ের মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন? 

উঃ জ্যোতি বসু

26.পশ্চিমবঙ্গে কতবার প্রেসিডেন্ট’স রুল জারি হয়েছে? 

উঃ কয়েকবার (মোট ৮ বার)

27.বিধানসভার সদস্য হতে ন্যূনতম বয়স কত? 

উঃ ২৫ বছর

28.বিধানসভার সদস্য হওয়ার শর্ত কী? 

উঃ ভারতীয় নাগরিকত্ব ও যোগ্যতা পূর্ণ

29.রাজ্য বিল পাসের পর কোথায় যায়? 

উঃ রাজ্যপালের কাছে

30.রাজ্যপাল বিল ফেরত দিতে পারেন কোন আর্টিকেলে? 

উঃ আর্টিকেল ২০০

31.বিধানসভার স্পিকারের কাজ কী? 

উঃ অধিবেশন পরিচালনা ও শৃঙ্খলা রক্ষা

32.স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে সভা কে চালান? 

উঃ ডেপুটি স্পিকার

33.বিধানসভার সদস্যপদ শূন্য হওয়ার কারণ কী? 

উঃ মৃত্যু, পদত্যাগ বা অযোগ্যতা

34.২০২১ নির্বাচনে বিরোধী দল কোনটি হয়েছিল? 

উঃ বিজেপি

35.Adjournment motion-এর উদ্দেশ্য কী? 

উঃ সরকারের মনোযোগ আকর্ষণ

36.No-confidence motion পাশ হলে কী হয়? 

উঃ সরকার পড়ে যায়

37.বিধানসভায় ভোটাভুটির ধরন কী? 

উঃ ভয়েস ভোট ও ডিভিশন

38.বিধায়কের শপথ কে করান? 

উঃ স্পিকার বা রাজ্যপালের মনোনীত ব্যক্তি

39.Anti-defection আইন কোন শিডিউলে আছে? 

উঃ দশম তফসিলে

40.রাজ্যপালের discretionary power কবে কার্যকর হয়? 

উঃ সরকার গঠনের সময়

41.বছরে বিধানসভা কতবার বসতে হবে? 

উঃ অন্তত দুবার

42.রাজ্যপাল assent withheld করলে কী হয়? 

উঃ বিল রাষ্ট্রপতির কাছে যেতে পারে

43.Special session বলতে কী বোঝায়? 

উঃ বিশেষ উদ্দেশ্যে ডাকা অধিবেশন

44.২৯৪ আসনে সর্বোচ্চ মন্ত্রীর সংখ্যা কত? 

উঃ ৪৪

45.Division ভোট কখন হয়?

উঃ ভয়েস ভোটে বিভ্রান্তি হলে

46.Leader of the House কে? 

উঃ মুখ্যমন্ত্রী

47.রাজ্যপাল বিল অনুমোদনে সময়সীমা কত? 

উঃ নির্দিষ্ট নয়

48.পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা কবে গঠিত হয়? 

উঃ ১৯৫০ সালে

49.বিধানসভার সচিবালয়ের প্রধান কাজ কী? 

উঃ প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান

50.রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন কে পরিচালনা করে? 

উঃ নির্বাচন কমিশন

File Details :: 

File Name: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি প্রশ্ন উত্তর

File Format:  PDF

No. of Pages:  03

File Size:  226 KB

57 578976 downloadable pdf button png hd image download pdf removebg preview

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

 

WhatsApp

তুমি কি ফ্রী তে PDF নিতে চাও ?

Powered by Webpresshub.net